দ্বাদশ শ্রেণীর দর্শন চতুর্থ অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর

দ্বাদশ শ্রেণীর দর্শন চতুর্থ অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর

দ্বাদশ শ্রেণীর দর্শন চতুর্থ অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর , অমাধ্যম অনুমান প্রশ্ন উত্তর, উচ্চ মাধ্যমিক দর্শন প্রশ্ন উত্তর , উচ্চ মাধ্যমিক দর্শন চতুর্থ অধ্যায় MCQ, উচ্চ মাধ্যমিক দর্শন চতুর্থ অধ্যায় SAQ, উচ্চ মাধ্যমিক দর্শন চতুর্থ অধ্যায় বড়ো প্রশ্ন উত্তর, উচ্চ মাধ্যমিক দর্শন চতুর্থ অধ্যায় ছোট প্রশ্ন উত্তর, HS Philosophy Questions Answers, HS Philosophy MCQ, HS Philosophy SAQ.

দ্বাদশ শ্রেণীর দর্শন চতুর্থ অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর

Bangla Shiksha: চতুর্থ অধ্যায়: অমাধ্যম অনুমান প্রশ্ন উত্তর, উচ্চ মাধ্যমিক দর্শন প্রশ্ন উত্তর, HS Philosophy Question Answer, HS Philosophy MCQ, HS Philosophy SAQ, পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষায় 30 শতাংশের বেশি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন এবং বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্নোত্তর (MCQ) থাকে।তোমরা যদি এই বিভাগে সম্পূর্ণ নম্বর তুলতে পারো, তাহলে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় নম্বর অনেকটা বেড়ে যায়। তাই তোমাদের সুবিদার্থে আমরা প্রতিটা অধ্যায় থেকে বাছাই করে 1 টি অতি-সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর এবং 10 টি অতি-সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর এবং 15 টি বহু বিকল্পভিত্তিক প্রশ্নোত্তর নিয়ে এসেছি।


দ্বাদশ শ্রেণীর দর্শন চতুর্থ অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর SAQ


প্রশ্নঃ অমাধ্যম অনুমান কাকে বলে?

উত্তরঃ যে অবরোধ অনুমানে সিদ্ধান্তটি একটিমাত্র হেতুবাক্য থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত  হয়,তাকে অমাধ্যম অনুমান বলে। 

প্রশ্নঃ আবর্তন কাকে বলে?

উত্তরঃ যে অমাধ্যম অনুমানে একটি বচনের গুন্ অপরিবর্তিত রেখে উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে ন্যায়সংগতভাবে যথাক্রমে অন্য্ একটি বচনের বিধেয় ও উদ্দেশ্যে পরিণত করা হয়, তাকে আবর্তন বলে। 

প্রশ্নঃ আবর্তনের ব্যাপ্যতা সংক্রান্ত নিয়মটি কী?

উত্তরঃ আবর্তনের ব্যাপ্যতা সংক্রান্ত নিয়মটি হল – যে পদ আশ্রয়বাক্যে ব্যাপ্য হয়নি, সেই পদ সিদ্ধান্তে ব্যাপ্য হতে পারবেনা। 

প্রশ্নঃ আবর্তনের যে-কোনো দুটি নিয়ম উল্লেখ করো। 

উত্তরঃ আবর্তনের দুটি নিয়ম হল – (১) আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের গুন্ অভিন্ন হবে। (২) যে পদ আশ্রয়বাক্যে ব্যাপ্য নয় সেই পদ সিদ্ধান্তে ব্যাপ্য হতে পারবে না। 

প্রশ্নঃ O বচনের আবর্তনের একটি উদাহরণ দাও যার আশ্রয়বাক্য সত্য এবং সিদ্ধান্ত মিথ্যা। 

উত্তরঃ O বচনের বৈধ আচরণ সম্ভব নয় কারণ এখানে ব্যাপ্যতার নিয়ম লঙ্ঘিত হয়। তবুও এমন দৃষ্টান্ত দেওয়া যেতে পারে যার আশ্রয়বাক্য সত্য কিন্তু সিদ্ধান্ত মিথ্যা। 

প্রশ্নঃ A বচনের সরল আবর্তনের একটি বাস্তব দৃষ্টান্ত দাও। 

উত্তরঃ A বচনের সরল আবর্তনের একটি বাস্তব দৃষ্টান্ত হল – 
আবর্তনীয়: সকল জীব হয় প্রাণী (A)। 
আবর্তিত: সকল প্রাণী হয় জীব (A)। 

প্রশ্নঃ “সকল মানুষ হয় বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন জীব” – বচনটির আবর্তন করো। 

উত্তরঃ 
আবর্তনীয়: সকল মানুষ হয় বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন জীব (A)। 
আবর্তিত: সকল বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন জীব হয় মানুষ (A)। 

প্রশ্নঃ আবর্তন করো : “সকল ধার্মিকেরাই সুখী।”

উত্তরঃ 
আবর্তনীয়: সকল সুখী ব্যক্তি হয় ধার্মিক ব্যক্তি (A)। 
আবর্তিত: কোনো কোনো ধার্মিক ব্যক্তি হয় সুখী ব্যক্তি (I)। 

প্রশ্নঃ আবর্তন করো : “সাদা বাঘ আছে।”

উত্তরঃ 
আবর্তনীয়: কোনো কোনো বাঘ হয় সাদা প্রাণী (I)। 
আবর্তিত: কোনো কোনো সাদা প্রাণী হয় বাঘ (I)। 

প্রশ্নঃ বিরুদ্ধ পদ কাকে বলে?

উত্তরঃ বিরুদ্ধ পদ হল কোনো পদের সকল বিপরীত পদের সমষ্টি। যেমনঃ ‘পুস্তক’ পদটির বিরুদ্ধ পদ হল “এ-পুস্তক”

প্রশ্নঃ বিবর্তনের বৈধতার গুন্ সংক্ৰান্ত নিয়মটি কী?

উত্তরঃ বিবর্তনে আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের গুন্ ভিন্ন হবে। অর্থাৎ আশ্রয়বাক্য সদর্থক হলে সিদ্ধান্ত নঞর্থক হবে। আর আশ্রয়বাক্য নঞর্থক হলে সিদ্ধান্ত সদর্থক হবে। 

প্রশ্নঃ বিবর্তনের বৈধতার যে-কোনো দুটি নিয়ম উল্লেখ করো। 

উত্তরঃ বিবর্তনের বৈধতার যে-কোনো দুটি নিয়ম হল –

  1. আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের গুন্ ভিন্ন হবে। 
  2. আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের পরিমান অভিন্ন হবে। 

প্রশ্নঃ বস্তুগত বিবর্তন কাকে বলে?

উত্তরঃ যে বিবর্তন প্রক্রিয়ায় প্রদত্ত বচনের আকারগত বির্বতন না করে তার অর্থের উপর বিশেষভাবে নির্ভর করা হয় এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার সাহায্যে প্রদত্ত বচনটিকে বিবর্তিত করা হয়, তাকে বস্তুগত বিবর্তন বলে। 

প্রশ্নঃ E বচনের বিবর্তিতের আবর্তিত বচন কী হবে?

উত্তরঃ E বচনের বিবর্তিত বচন হল A বচন এবং A বচনের আবর্তিত বচন হল I বচন। তাই E বচনের বিবর্তিতের আবর্তিত বচন হল I বচন। 

প্রশ্নঃ “অমানুষ কবি নেই” – বচনটির বিবর্তন করো। 

উত্তরঃ
মূল বচন বা বিবর্তনীয়: কোন কবি নয় অমানুষ (E)।
বির্বতিত: সকল কবি হয় মানুষ (A)।  

প্রশ্নঃ “সকল মানুষ হয় অ-পূর্ন জীব” – বচনটির বিবর্তিত বচনটি কী?

উত্তরঃ
বির্বতনীয়: সকল মানুষ হয় অপূর্ন জীব (A)। 
বিবর্তিত: কোনো মানুষ নয় পূর্ন জীব (E)। 

Leave a Comment

Your email address will not be published.